টেলিফোনে পাঠকের মতামত

গাজায় ইসরাইলি হামলা

আপডেট : ১৭ জুলাই ২০১৪, ২০:৫২
ইসরাইল বর্তমানে গাজা উপত্যাকায় যে হামলা চালাচ্ছে তার পেছনের উদ্দেশ্য হল ফিলিস্তিন নেতৃবৃন্দের ঐক্য ভেঙে ফেলা! হামাস ও ফাত্তাহর ঐক্য ইসরাইলের জন্য হুমকি তাই কোনোভাবেই যেন এ ঐক্যমত সংগঠিত না হতে পারে সে পদক্ষেপ ইসরাইয়েলের। হামাস গাজা ভূ-খণ্ডের একটি জনপ্রিয় সংগঠন। নির্বাচনে তাদের বিপুল বিজয় হয়েছিল। আমরা মনে করি এ বিষয়টিকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার। আবদুল মালেক মিয়া দলিল লেখক মিরপুর, ঢাকা এই অমানবিক হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে হবে। বিশ্ববিবেককে জাগ্রত হয়ে অবিলম্বে এর প্রতিবাদ করতে হবে। ইসরাইলের বিরুদ্ধে সবাই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। মো. আবু হানিফা কেরানিগঞ্জ, ঢাকা এ হত্যাকান্ড বন্ধের মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম রাষ্ট্রগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ জানাতে পারে। ইসরাইলকে সবাই মিলে চাপ প্রয়োগ করতে পারে। আব্দুল আলীম কাগান, সাভার গাজায় ইসরাইলি হামলার ব্যাপারে প্রভাবশালীরা যেসব কথা বলেছেন, সেগুলো অনেকটাই লোক দেখানো। কারণ ওবামা এবং বান কি মুন যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা একেবারে লোক দেখানো। তারা যদি সত্যিকারভাবে নির্দেশ দিতো তাহলে যুদ্ধ বন্ধ তো দূরের কথা আক্রমণ করতেও সাহস পেতো না ইসরাইল। তাছাড়া মুসলমানদের একমাত্র বিশ্বসংস্থা ওআইসি কোন কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়ে কথা বলেনি। তার কারণ আরব বিশ্বের মুসলিম দেশগুলো তেল বেচার সব অর্থ আমেরিকার ব্যাংকে জমায়। তাদের ভয়, যদি আমেরিকা তেল বেচার টাকা না দেয়। তারা বর্তমান মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে যে দ্বন্দ্ব তা বন্ধ করার চেষ্টাও করে না। তাই আজ এই রমজান মাসে আল্লাহর কাছে মোনাজাত করবো নমরুদ ফেরাউন হিটলার-এর পতন আর বিশ্ব মুসলমানদের জন্য হযরত ওমরের মতো একজন শক্তিশালী শাসক পাঠাও। এম মতিউর রহমান রমনা, ঢাকা বিশ্বের ইতিহাসে জার্মানির হিটলার এক কলংকের অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন। তিনি যেভাবে নির্বিচারে বিমান, স্থল ও নৌপথে বিশ্বকে দখল করবার স্বপ্নে হামলা চালিয়ে হত্যাযজ্ঞে নেমেছিলেন সেই সময়ের সৃষ্ট ইসরাইল রাষ্ট্র এখন হিটলারের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ ফিলিস্তিন কঠিন মানবিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। বিশ্ববিবেকের আবেদন-নিবেদন উপেক্ষা করে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এ ধরনের নগ্ন হামলা সভ্য জগতে চলতে পারে না। দীর্ঘদিন ধরে ইসরাইল এ ধরনের হামলা বহাল রেখেছে। তাই সারাবিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের উচিত ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানো, সেই সঙ্গে আগ্রাসী ইসরাইলকে হটিয়ে দেয়া। ঠিক যেভাবে জার্মানির হিটলারকে হটিয়ে দিয়েছিল সারাবিশ্ব। শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু কালিহাতী, টাঙ্গাইল ইসরাইলকে আমরা নরপশু বলতে পারি এরকম জঘন্য আক্রমণের জন্য। অবশ্যই আমরা বলতে পারি। আবুল কালাম মিলকি ৭৮/১, মাদারটেক সবুজবাগ, ঢাকা গাজায় ইসরাইলের হামলার মাধ্যমে বিশ্ব মুসলমানের যে দুর্বলতা আছে সেটা প্রকাশ হলো। আমরা মুসলমানরা কোরআন ও সুন্নত থেকে অনেক দূরে সরে আসছি। এ কারণে এসব ঘটনা। আমরা কোরআন, সুন্নাত ও আল্লাহপাক যে হেদায়েত দান করেছেন সেটা মেনে চললে এই ইসরাইল কেন একহাজার ইসরাইলও আমাদের কিছু করতে পারতো না। এখনো সময় আছে আমরা আল্লাহর হুকুম মেনে চলি। ইসলাম শান্তিপ্রিয় ধর্ম, কিন্তু কেউ অত্যাচার করলে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার হুকুম আছে। আমরা দুর্বল নই। আমরা সবাই মিলে এক হলে মুসলমানের শক্তি বিশ্ব দেখে নেবে। সৈয়দ হায়দার আলী সভাপতি ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলের সাম্প্রতিক বর্বর হামলায় এ পর্যন্ত ১৯২ জন মানুষ প্রাণ হারিয়েছে। প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছে। গাজা নগরীতে ধ্বংসস্তূপ ও মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসে ইসরাইলের নিষ্ঠুরতম এ হামলার নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের জানা নেই। প্রশ্ন জাগে, আজ মানবাধিকার সংস্থাগুলো কোথায়? জাতিসংঘের ভূমিকা নেই কেন? মিসরের দেয়া যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবটিও অকার্যকর হয়ে গেছে। নতুন করে শুরু হয়েছে হামলা। আর ঘৃণ্য এ হামলার শিকার নারী ও শিশুসহ বেসামরিক নাগরিক। বিশ্ববিবেক, মানবাধিকার সংস্থাসমূহ, জাতিসংঘসহ শান্তিকামী রাষ্ট্রের নেত্রীবৃন্দের উচিত ইসরাইলের বর্বরতা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে অবিলম্বে ফিলিস্তিনিদের রক্ত ঝরা বন্ধ করা। তাদের পাশে দাঁড়ানো। একে আজাদ কুষ্টিয়া ফিলিস্তিনিদের লক্ষ্য করে তাদের স্থাপনায় বোমা হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইল। যদিও যুদ্ধবিরতির আহ্বান রেখেছে জাতিসংঘ ও যুক্তরাষ্ট্র। বোমা হামলা অব্যাহত রাখায় শিশুসহ নিহত হচ্ছে নিরীহ অগণিত মানুষ। বর্বরোচিত বোমা হামলা ও যুদ্ধ বিরতির জন্য জাতিসংঘ আহ্বান জানালেও কোন কর্ণপাত করেনি বরং ইসরাইল ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার মত বোমা নিক্ষেপ করে মুসলিম নিধনে মরিয়া হয়ে উঠছে ইহুদীরা। তাদের অমানবিক হামলা বন্ধ করতে হবে। যদি জাতিসংঘের আহ্বানে ইসরাইল সাড়া না দেয় তাহলে মৃত্যুর মিছিল থামাতে সম্মিলিতভাবে পাল্টা হামলা চালাতে হবে ইসরাইলের ভূ-খণ্ডে। মুক্ত করতে হবে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা। ফারুক আহমেদ বাগমারা, রাজশাহী কোন দেশে মানুষ খুন হলে আমেরিকা মানবাধিকার লংঘন বলে চিত্কার করে। এখন এই পবিত্র রমজান মাসে সন্ত্রাসী ্ইসরাইল রাষ্ট্র ফিলিস্তিনদের নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে নিরীহ নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের যেভাবে হত্যা করছে তাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার কোথায় গেল। সবাই নিন্দা করছে এই হামলাকে নিয়ে, কিন্তু নিন্দা করলেই কি সব শেষ। সৌদী আরবও চুপ, কিছুই বলছে না। এখন সময় এসেছে সারাবিশ্বের মুসলমানদের এক হওয়ার। আমাদের সবার প্রার্থনা যে ইসরাইল নিপাত যাক। মিসেস তাহমিনা আক্তার মিনু ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর বোমা হামলায় পুড়ছে গাঁজা, লাশের মিছিল শিশুর কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে গাজার আকাশ বাতাস। হে আল্লাহ তুমি এই ধ্বংসলীলা থেকে মানুষকে রক্ষা কর আমীন। তানিয়া রহমান, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ভাওয়াল বদরে আলম কলেজ, গাজীপুর স্বজন হারানোদের প্রলাপ এবং আহাজারিতে শুধু ফিলিস্তিনই নয় বরং গোটা বিশ্বের আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। ইসরাইলের বর্বর বাহিনী ঘুমন্ত গাজাবাসীর উপর গভীর রাতে একের পর এক বিমান হামলা চালাচ্ছে। ছোট্ট শহর গাজায় প্রায় আঠারো লাখ মানুষ প্রবল উত্কণ্ঠায় সময় কাটাচ্ছে। কারো কোন নিরাপত্তা নাই। নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ারও কোন সুযোগ নাই। কখন কার জীবন ওষ্ঠাগত হবে তা কেবল মহান স্রষ্টাই ভাল জানেন । ইসরাইলের এ বর্বরোচিত হামলার পরেও বিশ্বের মোড়ল সম্প্রদায় চুপ করে আছে। তাদের চুপ থাকাই প্রমাণ করে, তারা ইহুদীদেরকে মুসলিম হত্যার কাজে ব্যবহার করছে । রাজু আহমেদ বেতমোর, মঠবাড়ীয়া এ কথা অস্বীকার করার জো নেই যে; ফিলিস্তিনিদের বন্দী দশা, বিধ্বস্ততা, নি:সঙ্গ অস্তিত্ব, মানবিক বিপর্যয়, হালের শত শত ফিলিস্তিনির লাশ ও ৫ সহস্রের অধিক মানুষের গৃহহীন অবস্থা মূলত আন্তর্জাতিক সমপ্রদায়ের পক্ষপাতের নির্মম দৃষ্টান্তের ফল। অবশ্য আরব রাষ্ট্রগুলোর নৈতিক ও রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব, মুসলিম দেশের জনগণের অনৈক্য ও ইসরায়েলের অতীত থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল বর্বরহামলার জন্য কম দায়ী নয়। তবে ইসরাইলকেও বুঝতে হবে, দুর্গরাষ্ট্র হয়ে থাকার মধ্যে তাদের নিরাপত্তা ও সুখ-শান্তি আসবে না। ফিলিস্তিনিদের ন্যায্য ভূমি ও তাদের কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা ফেরত দেয়ার মধ্যেই তাদের নিরাপত্তা ও শান্তি-শৃঙ্খলা নিহিত আছে। সমগ্র আরবকে পদানত রাখার বাসনা আখেরে তাদের পতনের কারণ হয়ে উঠাও বিচিত্র নয়। ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩ আসলে পরাশক্তির আস্কারা পেয়ে বাড় বাড়ন্ত ইসরাইল আজকের এই পর্যায়ে এসে উপনীত হয়েছে। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্নেহধন্য ইসরাইল কাউকে তোয়াক্কা করে না। অপরদিকে আরব রাষ্ট্রগুলোর রাজনৈতিক অদূরদর্শিতা, মতবিরোধ ও অনৈক্যের কারণে ইসরাইলকে আরো বেশি বর্বর করে তুলেছে। আসলে নিজের ভাল নিজেরা না বুঝলে অন্যের দ্বারা তা নির্ণিত হয় না। ফিলিস্তিন ক্রাইসিস চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। ফিলিস্তিন রাষ্ট্রটি ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা মুসলিম দেশগুলো, ফিলিস্তিন নামের শিশুটিকে কোলে তুলে নিতে না পারা কতো যে ব্যর্থতা, যুগ-যুগ ধরে নারী-শিশুসহ নিরীহ জনগণের রক্তের নজরানা তাই দেখিয়ে দিয়েছে। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর গত ৮ দিন যাবত্ ইসরাইলি সামরিক বাহিনী গাজায় বিমান ও স্থল হামলা চালিয়ে শত শত ফিলিস্থিনি বেসামরিক নারী-পুরুষ ও শিশু হত্যা করছে, নিক্ষেপ করছে ক্যান্সার জীবাণুবাহী বোমা, যার কারণে লাখ লাখ ফিলিস্তিনি তিলে তিলে মারা যাবে। গাজায় বর্বর ইসরাইলি হামলায় আরব বিশ্ব ও মুসলমানরা কি করছে? পবিত্র রমজান মাসে মুসলমানদের উপর বর্বর হামলা? বিশ্ববিবেক আজ কোথায়? আজ ১৭ই রমজান ১৪৩৫ হিজরি, রমজান আমাদের পবিত্র মাস, আজ সকল মুসলমানদের এক হওয়া জরুরি, জাতিসংঘে ইসরাইলি হামলার নিন্দা প্রস্তাব ও হামলা বন্ধের যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া ও স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট প্রতিষ্ঠা করা আশু প্রয়োজন, নতুবা ইসরাইল গাজা ও আরব ভূমি দখলের যে পাঁয়তারা করছে, তা সফল হবে যা মুসলিম বিশ্বের জন্য সুখকর নয়। নজরুল ইসলাম খান, ৫৪ নতুন জুরাইন, ঢাকা ইসরাইল বর্তমানে যা করছে তা মানবাধিকার এর চরম লংঘন ব্যতীত আর কিছু নয়। এতে করে ঐ অঞ্চলটিতে আর কোন শান্তি ও স্বস্তি আসবে না। কিন্তু আমাদের প্রত্যাশা ফিলিস্তিন তাদের নিজস্বতা নিয়ে বেঁচে থাকুক। বেঁচে থাকুক শাশ্বতকাল। মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহীদ উল্লাহ মিরপুর, ঢাকা গাজায় যে ধরনের হামলা হচ্ছে তা কোনভাবেই সহ্য করা যায় না। আজকে গাজায় হামলা থেকে ২ বছরের শিশুও রক্ষা পাচ্ছে না। ইসরাইল গাজায় যে ধরনের হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তা শুধু মানবাধিকার লংঘনই নয় বিশ্ব বিবেককে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনও। মো. ইলিয়াস আলম সুমন সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম মানবতাকে উপেক্ষা করে ইসরাইল। গাজায় যে নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তা একটি ন্যক্কারজনক ঘটনা। তাই আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাসমূহকে তত্পরতার সাথে এগিয়ে আসতে হবে। নীলুফা আক্তার মিরপুর, ঢাকা ইসরাইল গাজায় নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে করে সেখানে নেমে এসেছে কঠিন মানবিক বিপর্যয়। নারী-শিশুসহ প্রাণ দিচ্ছে হাজারো মানুষ। এ থেকে ফিলিস্তিনকে যে কোনভাবে রক্ষা করতেই হবে। মোঃ হানিফ মিয়া হাজারীবাগ, ঢাকা বিশ্ব বিবেকের আবেদন নিবেদন উপেক্ষা করেই ইসরাইল গাজায় যেভাবে নির্বিচারে হামলা চালাচ্ছে তা ্ব কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই মুহূর্তে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। ইয়াসমীন পারভীন মিরপুর, ঢাকা ইসরাইল গাজায় নির্বিচারে বিমান-হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনে যে বর্বরতা চালাচ্ছে সে বিষয়ে সোচ্চার হওয়া দরকার। হাবিবুর রহমান ফকিরাপুল, ঢাকা বিশ্ব বিবেকের আবেদনকে প্রত্যাখ্যান করে ইসরাইল গাজায় হামলা চালিয়েছে। এটা অনেক বড় দুঃসাহসিক বিষয়। তাই এখন সারা মুসলিম জাতিকে এক জায়গায় দাঁড়িয়ে রুখতে হবে এই অমানবিকতাকে। বাবুল ধানমন্ডি, ঢাকা ইসরাইলের প্রাণঘাতি হামলায় গাজা ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে। অসহায় হয়ে পড়েছে ফিলিস্তিনবাসী। ভাবতে অবাক লাগে- বিশ্ববাসীর আবেদনের পরেও তারা বিমান হামলা অব্যহত রেখেছে। সুতরাং এখনই বিষয়টিকে গুরুত্ব দেয়া দরকার। নার্গিস নতুন পল্টন, ঢাকা বিশ্ব বিবেকের আবেদনকে কোন গুরুত্ব না দিয়েই ইসরাইল গাজায় নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফিলিস্তিনে এর ফলে নেমে এসেছে মানবিক বিপর্যয়। তাদের বহু স্থাপনা আজ ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। শিশু, বৃদ্ধসহ বহু মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে। এই মুহূর্তে তাই আন্তর্জাতিকমহলকে হামলা বন্ধে জোড় দিতে হবে। মো. রবিউল হোসেন রবি চেয়ারম্যান বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা ১৯৪৮ সালে আন্তর্জাতিক বিশ্ব ফিলিস্তিনে আবাসস্থলের পার্শ্বে ইহুদীদের একটা ছোট আবাসস্থল দিতে গিয়ে আজ ফিলিস্তিনিরা নিজভূমে পরবাসী। ইসরাইলরা প্রতিনিয়ত তাদের হত্যা করছে ও বিতাড়িত করছে। সাম্রাজ্যবাদীরা প্রতিনিয়ত ইসরাইলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ইসরাইলকে আজ বিশ্বে সবচেয়ে বড় সন্ত্রাসবাদী এবং মানবতা-হত্যাকারী বানিয়েছেন। জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক বিশ্ব ইসরাইলের ওপর কার্যকর ব্যবস্থা নিলে ইসলাইল অবশ্যই এই অপকর্ম করার সাহস পেতো না। ওদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরাক, মিসর, লিবিয়া, তিউনেসিয়াসহ সব মুসলিম দেশের ওপর তার থাবা বিস্তার করে দুর্বল থেকে দুর্বলতার করার চেষ্টা করেই যাচ্ছে। এই মুহূর্তে মুসলিম বিশ্বের সব রাষ্ট্রের উচিত চতুর্দিক থেকে ইসরাইলকে আক্রমণ করে শেষ করে দেয়া। তা-না হলে ইসরাইলকে আর কখনো থামানো যাবে না। শাহ আলম খান সরল, বাঁশখালী, চট্টগ্রাম ইসরাইল এখন যা করছে তা মানবতার দৃষ্টিতে শান্ত-মেজাজে গণহত্যার সামিল। এ থেকে মুসলিম বিশ্ব ইসরাইলকে নিভৃত করতে পারবে বলে মনে হয় না। যতক্ষণ না পর্যন্ত আমেরিকাকে মুসলিম বিশ্ব বোঝাতে সক্ষম হবে, ইসরাইল যা করছে তা একটা আগ্রাসনের নামান্তর। তাদের এই নৃশংস কর্মকাণ্ডে বাদ যাচ্ছে না নারী-শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ যে কোন মানুষ। শুধু মুসলিমকে মারতে পারলেই ইসরাইল খুশি। এই এক পৈশাচিক উন্মত্ততা। এক্ষেত্রে পরিত্রাণ পেতে হলে ফিলিস্তিনের পক্ষে অবশ্যই বিশ্ব জনমত গড়ে তুলতে হবে। ওয়াহিদ মুরাদ স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর জাতিসংঘ ওআইসি এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা গাজায় নিরীহ মুসলমানদের হত্যা না করার জন্য আহ্বান জানালেও পারমানবিক শক্তিধর ইসরাইল আরো ক্ষিপ্ত গতিতে আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের পরিণত হয়েছে গাঁজায় স্কুল, কলেজ, মসজিদ, রাস্তাঘাট এবং অন্যান্য স্থান। গাঁজাকে এই মানবিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য মুসলিম রাষ্ট্রগুলোকে একযোগে জোড়ালো প্রতিবাদ জানাতে হবে। প্রফেসর রফিকুল ইসলাম (বীর মুক্তিযোদ্ধা) পশ্চিম রামপুরা, ঢাকা গাজা এখন এক রক্তাক্ত জনপদ। গত এক সপ্তাহের মধ্যে সেখানে চলছে ইসরাইলের নির্বিচারে বিমান হামলা। বাংলাদেশসহ শান্তিকামী বিশ্ব এই হামলা বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছে। গাজায় রক্তপাত বন্ধ হোক এই প্রত্যাশা আমাদের। জামান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী কবির হাট, নোয়াখালী ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে ইসরাইল যে বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আমাদের নিন্দা জানানোর ভাষা নেই। আমরা চাই শান্তি ও সমঝোতার মধ্যদিয়ে সমস্যার সমাধান হোক। হোসনে আরা বেগম নীলা পিলখানা, ঢাকা বিশ্ব বিবেকের আবেদন নিবেদনকে উপেক্ষা করে ইসরাইল গাজায় নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। এটা এক ধরনের মানবাধিকারে লংঘন বটে। তাই আমরা চাই এই নির্বিচার অত্যাচার ও রক্তপাত বন্ধ হোক। সংঘাত নয়, শান্তি ও সমঝোতার পথেই সমাধান খুঁজতে হবে। বজলুল করিম ধানমন্ডি, ঢাকা বিশ্ববিবেকের আবেদন-নিবেদনকে তোয়াক্কা না করে ইসরাইল গাজায় নির্বিচারে বিমান হামলা শুরু করে দেয়। এ পরিস্থিতি অবশ্যই মানবাধিকারের চরম লংঘন। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক, এর বিরুদ্ধে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক কোনও মহল থেকে শুধু নিন্দা ও যুদ্ধ বিরতির আহ্বান ছাড়া অবিলম্বে হামলা বন্ধ করার কোন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে না। মো: খায়রুল বাশার (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ বিশ্ববিবেকের সকল আবেদন-নিবেদনকে উপেক্ষা করে ইসরাইল গাজায় নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি খুবই দুঃখের ও কষ্টের। গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে এই সহিংসতা। গাজায় ইসরাইলের এ হামলায় ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। পবিত্র রজমান মাসে ইসরাইল বাহিনী মূলত গাজাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং সেখানে বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। আমরা চাই এই যুদ্ধ বন্ধ হোক। এস কে এম রমিজউদ্দিন মিরপুর-২, ঢাকা আমরা মনে করি আন্তর্জাতিক শক্তিসমূহ বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যদি কঠোর ভূমিকা পালন করে তাহলে ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান কোন কঠিন বিষয় নয়। সোহাগ ভাগলপুর লেন লালবাগ, ঢাকা সাম্প্রতিক ইসরাইলের গাজায় হামলায় বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ অসংখ্য শিশু প্রাণ হারিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু সম্পদ। তাদের এরকম আচরণ কখনোই কাম্য নয়। মারুফ বাসাবো, ঢাকা সকল আবেদন-নিবেদনকে তোয়াক্কা না করে ইসরাইলী শাসক নির্বিচারে গাজায় হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়টি। আমরা চাই অচিরেই এই হামলা বন্ধ হোক। এর জন্য প্রয়োজন মানবাধিকার সংস্থা ও জাতিসংঘকে জোরদার পদক্ষেপ। আইরিন সুলতানা (মন্জু) ধুপপুর, চট্টগ্রাম। ইসরাইলী শাসক নির্বিচারে গাজায় বিমান হামলার মাধ্যমে হত্যা চালিয়ে যাচ্ছে। রেহাই পাচ্ছে না মসজিদ, মাদ্রাসা, শিশু এবং মহিলারাও। এর অবসান কামনা করে তীব্র নিন্দা জানাই। এমন অবস্থায় কোথায় বিশ্ব মানবাধিকার সংস্থা, কোথায় আন্তর্জাতিক আইন-আদালত, কোথায় জাতিসংঘ-কি পদক্ষেপ নিচ্ছে তারা? মন্জু খন্দকার চুয়াডাঙ্গা গাজা উপত্যকায় প্রায় একতরফা নৃশংতায় বিশ্ব জুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। জাতিসংঘ হামলা বন্ধের জন্য চাপ দিলেও সব আহ্বানকে উপেক্ষা করে ইসরাইল হামলা অব্যাহত রেখেছে-যা খুবই দুঃখজনক বিষয়। আমরা এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে আবারও জাতিসংঘের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। খায়রুল বাশার (চয়ন) যাত্রাবাড়ী, ঢাকা সকল আবেদন-নিবেদনকে উপেক্ষা করে ইসরাইল গাজায় যে নির্বিচারে বিমান হামলা চালিয়ে যাচ্ছে তাকে গণহত্যা বলা চলে। এর থেকে পরিত্রাণ চায় সারা বিশ্ব। শিশির পিলখানা, ঢাকা যুগের পর যুগ আরব জনগণের একতার কষ্টিপাথর বলে বিবেচিত ফিলিস্তিন। কিন্তু ইসরাইল ২০১২ সালে যে শক্তি নিয়ে দেশটির উপর হামলা চালিয়েছিল, এবার তারা দ্বিগুণ শক্তিতে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, আন্তর্জাতিক কোন চাপের কাছে তারা নতি স্বীকার করবে না। এমনটি হলে দুঃখজনক বটে। আমরা চাই এর সমাধান ও স্বস্তি এবং শান্তি। মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম পাকার মাথা, ইব্রাহিমপুর ইসররাইল কেমন রাষ্ট্র তা আমরা আগেই জেনেছি। রোজা-রমজানের এই মাসে নিরীহ মানুষের উপর যে আক্রোশ, যে হামলা তা অবশ্যই নিন্দাজনক। আমরা জানি ২০১২ সালে ১৭৭ জন নিহত হয়েছিল। কিন্তু ২০১৪ সালে এসে ঐ হামলাকেও হার মানিয়েছে। পৃথিবীর সব মানুষ যদি এক হয়, তাহলে গাজায় শান্তি ফিরে আসবে। এস এম নওরোজ হীরা বাকেরগঞ্জ বরিশাল বিশ্ববিবেকের আবেদন-নিবেদনকে উপেক্ষা করে গাজায় চলছে নির্বিচার হামলা। যে হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নিরীহ শিশুও। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ৮ দিন ধরে চলা ইসরাইলি এ হামলায় ও সহিংসতার অবসানে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল মিসর। কিন্তু ৬ ঘণ্টা না যেতেই ফের বিমান হামলা শুরু করে ইসরাইল। আমরা এই হামলার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। জাহাঙ্গীর খান বাবু মুন্সীগঞ্জ বিশ্ববিবেকের আবেদনের কোন ধার ধারেনি ইসরাইল। ঘটিয়ে যাচ্ছে মানবিক বিপর্যয়। তবে এক সময় ইসরাইলের প্রতি ফিলিস্তিনের এবং ফিলিস্তিনের প্রতি ইসরাইলের স্বীকৃতি অর্জিত হবে। শেষ হবে সকল অস্থিরতা সেই প্রত্যাশাটাই আমাদের। মাসুম আহমেদ যাত্রাবাড়ী, ঢাকা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন