ইরাকের পর এবার সিরিয়ায়ও মার্কিন হামলা চালানোর চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে। এ নিয়ে ওবামা প্রশাসনে বেশ জোরেসোরে বিতর্কও চলছে। সামপ্রতিক সময়ে আইএস জঙ্গিদের ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ, বিশেষ করে তাদের হাতে মার্কিন সাংবাদিক ফোলি নিহত হওয়ায় জঙ্গিদের ঘাঁটি পুরোপুরি নির্মূলে পরবর্তী পদক্ষেপ হিসাবে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায়ও হামলা চালাতে পারে বলে শুক্রবার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এদিকে গত এপ্রিল পর্যন্ত সিরিয়ায় সংঘর্ষে ১ লাখ ৯১ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা গেছে বলে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রধান নাভি পিল্লাই জানিয়েছেন।
আইএস জঙ্গিরা ইরাক ছাড়া সিরিয়ায়ও রয়েছে। তারা সেখানে ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে একের পর এক এলাকা দখল করে যাচ্ছে। এসব কারণে সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের সহায়তা প্রদানে যুক্তরাষ্ট্র সেখানে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করছে। কর্মকর্তারা জানান, আইএস সিরিয়ায় যেভাবে অগ্রসর হচ্ছে তাতে তা যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য এক ভয়ানক বার্তা। তারা বলেন, এসব চিন্তা-ভাবনার উদ্দেশ্য হচ্ছে সিরিয়ায় বিদ্রোহীদের প্রশিক্ষণ ও তাদের অস্ত্র সহায়তা দিয়ে নানাভাবে সহযোগিতা করা। মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, এ লক্ষ্যে তারা সিরিয়ায় জঙ্গি বিমান, বোমারু বিমান এবং বিশেষ বাহিনী পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে।
