নেশার টাকা যোগাতে ছিনতাই 

আপডেট : ২২ মে ২০২২, ২৩:৪৪

বাবা বিত্তবান। রয়েছে চারতলা বাড়ি। নিজেও পপুলার হেলথ কেয়ার কোম্পানির প্রতিনিধি হিসাবে চাকরি করেন। তারপরও নেশার টাকা যোগান হয় না। তাই তো বেছে নিয়েছে ছিনতাইয়ের পথ। তবে বারবার ছিনতাই করে রেহাই পেলেও এবার পুলিশের জালে ধরা পড়েছে এই ছিনতাইকারী। 

নেশার টাকান জন্য ছিনতাইয়ের পথ বেছে নেওয়া ব্যক্তি আব্দুল ওয়াদুদ বুলবুল। তিনি রাজশাহী মহানগরীর উপকণ্ঠ নওদাপাড়া বাজার এলাকার প্রকৌশলী আব্দুল হামিদের ছেলে। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) সাইবার ক্রাইম ইউনিটের সহযোগিতায় গত শনিবার (২১ মে) দিবাগত রাতে নওদাপাড়া বাজার থেকে তাকে আটক করে বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, দুই হাজার টাকা দামের দুই বোতল ফেনসিডিল ও আড়াইশো টাকা দামের ৪ টি ইয়াবা প্রতিদিন তার নেশার জন্য লাগে। প্রতিদিন নেশার জন্য যে তিন হাজার টাকা লাগে, তা চাকরি থেকে আসে না। এমনকি বুলবুলকে বাড়ি থেকে টাকা দেওয়াও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এজন্য বেছে নেয় ছিনতাইয়ের পথ। অনেক আগে থেকেই সে মহানগরী ও আশপাশের এলাকায় ছিনতাই করে আসছে। আর ছিনতাই কাজটি বুলবুল একাই করত। এত কিছু থাকার পরও কেবল নেশার টাকা যোগাড় করতে ছিনতাইয়ের পথ বেছে নেওয়া বুলবুল এমনটাই স্বীকারোক্তি দিয়েছে পুলিশের কাছে।

এর আগে, গত শুক্রবার (২০ মে) দুপুরে নগরীল শিরোইল পুলিশ ফাঁড়ির সামনের সড়কে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের এক শিক্ষকের স্ত্রীর ব্যাগ ছিনতাই করে পালিয়ে যায় আব্দুল ওয়াদুদ বুলবুল নামের এই ছিনতাইকারী। ব্যাগে দামি মোবাইল ও টাকা পয়সা ছিল। ওই শিক্ষক থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর তাকে আটকের জন্য অভিযানে নামে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। ছিনতাই করার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই সিসি ক্যামেরার সহযোগিতায় তাকে আটক করতে সক্ষম হয় নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানা পুলিশ। 

ইত্তেফাক/কেকে