মঙ্গলবার, ০৪ অক্টোবর ২০২২, ১৯ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

মেহেরপুর-কাথুলী সড়কের ৯ কিলোমিটার বেহাল

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২২, ০৫:৫০

মেহেরপুর-কাথুলী সড়কের বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দে ভরে গেছে। কয়েকটি স্থানে বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে। সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ৯ কিলোমিটার সড়কই বেহাল। এতে দুর্ভোগ সহ্য করে চলতে হচ্ছে স্থানীয়দের। মেহেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধানে এই সড়কটি রয়েছে। মেহেরপুর জেলা শহরের উত্তরাঞ্চলের উজুলপুর, কুলবাড়িয়া, চাঁদপুর শিবপুর, সহোগলপুর, গাঁড়াবাড়িয়া, কাথুলী, তেঁতুলবাড়িয়া, ধলা, খাসমহল, রংমহলসহ আশপাশের প্রায় ২০ থেকে ২৫টি গ্রামের মানুষ জেলা শহরে আসেন এই রাস্তাটি দিয়ে। এছাড়া এলাকার সবজিসহ অন্যান্য ফসলও জেলা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এই সড়ক দিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

দেখা গেছে, মেহেরপুর শহরতলির কায়েম কাটার মোড় থেকে গাংনী উপজেলার সীমান্তবর্তী কাথুলী মোড় পর্যন্ত রাস্তাটি ভাঙাচোরা ও খানাখন্দে ভরা। কোনো কোনো স্থানে বড় বড় গর্ত সৃষ্টির পাশাপাশি রাস্তার ওপর হাঁটুপানি জমে গেছে। ইজিবাইকচালক তারিকুল ইসলাম বলেন, সড়কের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে ৯ কিলোমিটার খারাপ। ভাঙাচোরা রাস্তায় যাওয়া-আসার ফলে গাড়ির বল-বিয়ারিংসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ ভেঙে যাচ্ছে। সপ্তাহ পার না হতেই আবারও পার্টস লাগাতে হয় গাড়িতে। উজুলপুর গ্রামের অটোচালক আতিয়ার রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। মাঝেমধ্যে সংস্কারের নামে কিছু পাথর ছড়িয়ে চলে যায়। কয়েক দিন পর আবার আগের মতোই হয়ে যায়। কুলবাড়িয়া গ্রামের কৃষক রহমত আলী ও হাসমত আলী বলেন, আমাদের এলাকাটা সবজি এলাকা হিসেবে পরিচিত। এখানকার সবজি ট্রাক লোড হয়ে ঢাকা, চিটাগাংসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যায়। অথচ সড়কটির কারণে কোনো ট্রাক এখানে আসতে চায় না। রাস্তাঘাট ভাঙাচোরার কারণে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করেন তারা।

মেহেরপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বলেন, মেহেরপুর-কাথুলী সড়কটির অবস্থা এখন খুবই খারাপ। সংস্কারের জন্য মেহেরপুর-২ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্যের কাছ থেকে ডিও লেটার নিয়ে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় এখনো বরাদ্দ দেয়নি। বরাদ্দ দিলে ঐ সড়কে বড় ধরনের সংস্কারকাজ করা হবে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী (অতিরিক্ত) মুঞ্জুরুল করিম বলেছেন, সংস্কার করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পেলে ঐ সড়কের সংস্কারকাজ করা হবে।

ইত্তেফাক/এমএএম