ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে সাংবাদিকতা, মিডিয়া এবং যোগাযোগ বিভাগের আয়োজনে ‘ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্টিং’ শিরোনামে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীর কবি নজরুল এডুপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
কর্মশালায় প্রশিক্ষক ছিলেন বিশিষ্ট লেখক ও সাংবাদিক মোহসীন-উল হাকিম। এতে অংশগ্রহণ করে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
কর্মশালার শুরুতে সাংবাদিকতা, মিডিয়া এবং যোগাযোগ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার রাশেদ রাতুল উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা-বার্তা জানান।
কর্মশালাতে উপস্থিত ছিলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর এ এম এম হামিদুর রহমান ডিন, ফ্যাকাল্টি অব হিউম্যান অ্যান্ড সোশ্যাল সাইন্স, আফতাব হোসাইন, বিভাগীয় প্রধান, সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগ, মাহবুব পারভেজ, বিভাগীয় প্রধান, টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট, প্রফেসর উজ্জ্বল কে চৌধুরী, স্ট্রাটেজেটিক অ্যাডভাইজর অ্যান্ড প্রফেসর।
যমুনা টেলিভিশনের বিশেষ প্রতিবেদক মোহসীন-উল হাকিম প্রশ্নোত্তর পর্বে কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিয়ে কর্মশালা শুরু করেন। তিনি তার সুন্দরবনের জলদস্যু নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।
তাছাড়াও তিনি সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা, টেলিভিশন সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে বলেন, ‘নীতি-নৈতিকতার দিকে সাংবাদিকদের বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। দৃঢ় বিশ্বাস তোমরাই আগামীর গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলো দখল করবে, নিজের স্বাধীনতার জায়গার পরিধি নিজেই তৈরি করতে হবে ম্যাচিওরিটির সঙ্গে। তবেই তোমাদের হাত ধরে উন্নত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় ঐক্যর জয়সূর তৈরি হবে।’
কর্মশালা সম্পর্কে জানতে চাইলে শিক্ষার্থী আবু নওফেল সাজিদ বলেন, ‘সাংবাদিকতা বিভাগ কে অনেক ধন্যবাদ, আমাদেরকে এত সুন্দর একটি কর্মশালা উপহার দেওয়ার জন্য। এই কর্মশালা থেকে আমি ইনভেস্টিগেটিভ রিপোর্ট সম্পর্কে অনেক ধারণা পেয়েছি এবং আমি যদি ভবিষ্যৎ সাংবাদিকতা পেশায় কাজ করতে যাই এই কর্মশালাটি আমার অনেক কাজে আসবে।’
অন্য আরেক শিক্ষার্থী সানজিদা হোসেইন বলেন, ‘কর্মশালায় এসে দেশের এমন একজন জনপ্রিয় সাংবাদিকদের সাথে পরিচয় হয়ে খুব ভালো লাগছে এবং সাংবাদিকতা পেশায় যাওয়ার জন্য যে ধারাবাহিকতা রাখতে হবে সেগুলো শুনে সাংবাদিকতা পেশায় আসতে আগ্রহী হয়েছি।’
