মির্জাপুরে ১৪ ইউনিয়নে একসঙ্গে ১৬ শহীদ মিনার নির্মাণ

আপডেট : ১২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৪:৩৬

৫২ ভাষা আন্দোলন এবং ৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রতি সম্মান জানাতে প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ চত্বর এবং ১৪ ইউনিয়নে একযোগে নির্মাণ হচ্ছে ১৬ শহীদ মিনার।

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা পরিষদ এবং স্থানীয় সাংসদ এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে।

এ ব্যাপারে ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য খান আহমেদ শুভ এমপি বলেন, আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। দীর্ঘদিন পর হলেও শহীদ মিনার নির্মাণ হচ্ছে। এ ফলে বর্তমান প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধোর সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে। শহীদদের প্রতি সম্মান জানাতে পেরে আমরা গর্ববোধ করছি।

ছবি: ইত্তেফাক

উপজেলা নির্বাহী অফিস এবং মির্জাপুর উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুর রহমাস জানান, প্রায় ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে এসব শহীদ মিনার, স্মৃতিস্তম্ভ এবং স্মৃতি সৌধ নির্মাণ হচ্ছে।সদরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন পুরাতন বাস স্টেশনের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের পুর্বপাশে প্রায় ২৬ লাখ টাকা ব্যয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, প্রায় ছয় লাখ টাকা ব্যয়ে উপজেলা পরিষদ চত্তরে একটি স্মৃতিস্তম্ভ এবং ১৪ ইউনিয়নে ৪২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি করে শহীদ মিনার নির্মাণ হচ্ছে।

এর আগে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের রুহিতপুর গ্রামে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ৩০ জন বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মরণে নির্মাণ হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান বলেন, মির্জাপুর উপজেলা একটি মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি বিজড়িত এলাকা। ১৯৭১ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকার বাইরে প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ হয়েছিল ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক সংলগ্ন গোঁড়ান-সাঁটিয়াচড়া এলাকায়। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সম্মুখ যুদ্ধে বহু নারী ও পুরুষ শহীদ হন। দীর্ঘদিন পর উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রায় ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৪ ইউনিয়নে শহীদ মিনার, উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্মৃতিস্তম্ভ এবং পুরাতন বাসস্ট্যান্ডের একটি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার নির্মাণ কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর এবং ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে উদ্বোধন করা হবে।

 

 

 

 

 

 

 

ইত্তেফাক/আরএজে