শনিবার, ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২১ মাঘ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

জনসংখ্যা বাড়াতে জরুরি পদক্ষেপ নিচ্ছে জাপান

আপডেট : ২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৯:২৩

জাপানের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) পার্লামেন্ট অধিবেশনে জাপানের এই দীর্ঘমেয়াদী সংকট সমাধানে সরকারের অবস্থান কেমন হওয়া উচিত, তা তুলে ধরেন তিনি।

কিশিদা বলেছেন, জাপানে জন্মহার বাড়ানোর জন্য এখনই ব্যবস্থা নেওয়ার উপযুক্ত সময়। এখন ব্যবস্থা না নিলে দেরি হয়ে যাবে। তাই অপেক্ষা করার সময় নেই। এরই মধ্যে জাপান বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সি জনসংখ্যার দেশ হয়ে গেছে। খবর রয়টার্স ও আল-জাজিরার।

জাপানের সরকারি হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালে জাপানে জন্মগ্রহণ করেছে ৮ লাখেরও কম সংখ্যক শিশু। বার্ষিক জনসংখ্যা বাড়ার এতো নিম্নহার আগে কখনও দেখেনি জাপান।

উন্নত জীবনযাত্রা হওয়ায় জাপানে সন্তান জন্মদান ও লালন পালনের ব্যয় খুবই উচ্চ। বিশ্বের যেসব দেশে সন্তান জন্ম ও তাকে বড় করে তোলার ব্যয় সবচেয়ে বেশি, সেসবের মধ্যে প্রথম সারিতে আছে জাপান। দেশটির জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা সংস্থা ইউওয়া পপুলেশন রিসার্চের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সন্তান জন্মদান ও পালনের ক্ষেত্রে জাপান বিশ্বের শীর্ষ তিনটি ব্যয়বহুল দেশের মধ্যে একটি। দেশটিতে প্রতি বছর জন্মহার কমতে থাকার সবচেয়ে বড় কারণ এটি।

জাপানের সরকার অবশ্য দম্পতিদের জন্য সন্তান জন্ম ও লালন বাবদ আর্থিক প্রণোদনা দিচ্ছে, তবে তা যথেষ্ট নয়। বর্তমানে প্রণোদনায় যে অর্থ দেওয়া হয়, সন্তান জন্মের পর হাসপাতালের বিল মেটাতেই তা শেষ হয়ে যায়। ফলে সীমিত আয়ের দম্পতিরা স্বাভাকিভাবেই এই প্রণোদনার ওপর নির্ভর করে সন্তান জন্মদানের ঝুঁকি নিতে চান না।

ইত্তেফাক/কেকে