সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজে শতভাগ পাসের ধারা অব্যাহত

আপডেট : ২৯ জুলাই ২০২৩, ১৬:৪৫

সদ্য প্রকাশিত মাধ্যমিক পরীক্ষা ২০২৩ এর ফলাফল পরিসংখ্যানে রাজধানীর ‘সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ বরাবরের মত এবারও সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছে। প্রতিষ্ঠানটির মালিবাগ, বারিধারা, মিরপুর ও উত্তরা শাখার কোথাও অনুত্তীর্ণ নেই। 

এ বছরও সাউথ পয়েন্টের বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে সর্বমোট ৫৮২জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সকলেই উত্তীর্ণ হয়েছে। অর্থাৎ পাসের হার ১০০% বা শতভাগ। তন্মধ্যে জিপিএ-০৫ পেয়েছে ৩৮০ জন। বিজ্ঞান বিভাগের ৪৫১ জন পরীক্ষার্থীর ৩৩৮ জনই জিপিএ ফাইভ পেয়েছে। জিপিএ প্রাপ্তির শতকরা হার ৭৫%, এদিকে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ১৩১ জনের ৪২ জন জিপিএ ফাইভ পেয়েছে। মাঝে এক বা দুই বছর হাতে গোনা কয়েকজনের অনুত্তীর্ণ ব্যতীত জন্মলগ্ন থেকে প্রায় ২১ বছর এই ধারা অব্যাহত রয়েছে এখানে। 

সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী প্রকৌশলী এম এ রশিদ শিক্ষার্থীদের কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের সংখ্যা নয়, বরং গুণগত মানোন্নয়নের ব্যাপারে অধিকতর যত্নবান। এ আদর্শের ধারক হয়েই সাউথ পয়েন্টের সকল শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সকলে নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার প্রেক্ষিতেই আজকের এই ফলাফল তথা ধারাবাহিক এই সাফল্য। তিনি ৫৮২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১১ জন ব্যতীত সকল শিক্ষার্থী (৫৭১জন) এর জিপিএ ৪ ও ৪ এর ঊর্ধ্বে অর্থাৎ জিপিএ ৫ অর্জনের ব্যাপারটিতে দৃষ্টি আকর্ষণ করে শুধু ফলাফলই বড় কথা নয়, বরং জ্ঞানভিত্তিক সৃজনী শিক্ষায় গুরুত্বারোপের ফলে সাউথ পয়েন্টের শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষায় ভালো করার পাশাপাশি খেলাধুলা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অর্জনের ব্যাপারটিতেও গুরুত্বরোপ করেন ।   

নৈতিক, আদর্শিক তথা সৃজনশীল শিক্ষাদানের প্রত্যয়ে ২০০২ সালে মাত্র ২০০ ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করে এখন প্রায় ১৭,০০০ ছাত্র-ছাত্রী এখানে পড়ালেখা করছে। এখানে প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন ভিকারুন নূন নিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মিসেস হামিদা আলী। বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি ভার্সন ও ইংরেজি মাধ্যমের এই প্রতিষ্ঠানটির মালিবাগ, বারিধারা, বনানী, মিরপুর, উত্তরা ও ধোলাই পার এলাকা মিলে মোট ৬টি শাখা রয়েছে। বারিধারায় ০৮ বিঘা জমিতে তৈরি করা হয়েছে এর নিজস্ব ক্যাম্পাস। অনুরূপ মালিবাগেও ০৬ বিঘা জমিতে তৈরি করা হচ্ছে স্থায়ী অত্যাধুনিক ক্যাম্পাস। উত্তরায়ও নেওয়া হয়েছে ০৭ বিঘা জমি। এভাবে সব শাখায়ই নির্মাণ করা হবে সবুজে আবৃত মাঠ সম্বলিত বিশাল স্থায়ী ক্যাম্পাস।

ইত্তেফাক/এআই