ফরিদপুরে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আরও একটি মামলা হয়েছে।
বুধবার (৯ আগস্ট) রাতে ফরিদপুরের কোতয়ালী থানায় সিআইডির ইন্সপেক্টর মো. নাসিরউদ্দিন বাদী হয়ে ১০০ কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা পাচারের অভিযোগে এ মামলা করেন।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ভাই ও সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবর, সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের এপিএস এএইচএম ফোয়াদ, শহর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ইমতিয়াজ হাসান রুবেল।
মামলা সূত্রে জানা যায়, সিদ্দিকুর রহমান সাবেক মন্ত্রীর ভাই খন্দকার মোহতেশাম হোসেন বাবরের মাধ্যমে ঠিকাদারি কাজে ৩ থেকে ৫ পার্সেন্ট কমিশন নিতেন। খন্দকার বাবরের পরে তিনি এপিএস ফোয়াদ, বরকত ও রুবেলের হেলমেট ও হাতুড়ি বাহিনী ব্যবহার করে কমিশন বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতেন।
ক্ষমতার দাপটে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করে ফরিদপুর চেম্বার অব কমার্স, ফরিদপুর রেলস্টেশনের পাশে বালু ও পাথরের ব্যবসা এবং সিএন্ডবি ঘাট ও টেপাখোলা হাট নিয়ন্ত্রণ করে ১০০ কোটি ৫২ লাখ ৭৬ হাজার টাকা উপার্জন করেন। সিদ্দিকুর রহমান ব্যতীত এ মামলার বাকি আসামিরা অন্য মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
ফরিদপুর কোতয়ালী থানার ওসি এমএ জলিল বলেন, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ দমন আইনে মামলাটি করা হয়েছে।
এর আগে সিআইডি সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনের অনুসারীদের বিরুদ্ধে ২ হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের একটি মামলা এবং পরে এপিএস ফোয়াদের নামে মানি লন্ডারিংয়ের আরও একটি মামলা হয়। হাজার কোটি টাকা মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় ৪৬ জনের নামে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

