বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সার্পোটেড ডিসটেন্স লার্নিং শিক্ষা কার্যক্রম চালু করছে বেসরকারি আইনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভূঁইয়া একাডেমি। প্রতিষ্ঠানটি যুক্তরাজ্যের স্বনামধন্য হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় এলএলবি (অনার্স) সার্পোটেড ডিসটেন্স লার্নিং শিক্ষা কার্যক্রমের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শিক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এ সময় আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, বর্তমানে অনেক বিচারপতিসহ অনেক ব্যারিস্টার আছেন যারা ভূঁইয়া একাডেমি থেকে এসেছেন এবং জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ভূঁইয়া একাডেমিই প্রথম বাংলাদেশে ব্রিটিশ পাঠ্যক্রম ও প্রেক্ষাপটের আন্তর্জাতিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করার উদ্যোগ নেয়। আমি তাদের প্রচেষ্টাকে প্রশংসা করি এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি। আমি হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমি আশা করি এই ডিসটেন্স লার্নিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের সাথে এই সম্পর্ককে আরও দৃঢ় হবে।
‘ভূঁইয়া একাডেমি বাংলাদেশে হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের একচেটিয়া অংশীদার হিসেবে কাজ করবে। এই এলএলবি (অনার্স) সার্পোটেড ডিসটেন্স লার্নিং কার্যক্রম সরাসরি এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম উভয় মাধ্যমকে একত্রিত করে শিক্ষার্থীদের বিশ্বমানের আইনি শিক্ষা প্রদান করবে।’
আইনমন্ত্রী বলেন, হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয় ৫৫০টিরও বেশি কোর্স নিয়ে ৭০ বছর যাবত গর্বের সাথে বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদেরকে পড়াশুনার সুযোগ করে দিচ্ছে। ভূঁইয়া একাডেমী ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি আইনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যা দূরশিক্ষণ আইন প্রোগ্রামের জন্য পরিচিত। দূরশিক্ষা কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে ভূঁইয়া একাডেমি এবং ইউনিভার্সিটি অফ হার্টফোর্ডশায়ার বাংলাদেশে আইনি শিক্ষার এক নতুন যুগের পথ প্রশস্ত করছে।
দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা সমঝোতা বিষয়ক এ অনুষ্ঠানে ভূঁইয়া একাডেমির অধ্যক্ষ ড. রাবিয়া ভূঁইয়া, আইনমন্ত্রী সিনিয়র অ্যাডভোকেট আনিসুল হক, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাসান চৌধুরী, হার্টফোর্ডশায়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাসোসিয়েট ডিন ড. বারবারা হেনরি এবং ইন্টারন্যাশনাল ডিরেক্টর সায়াজ মিয়াসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
