রাণীনগরে অনুপযোগী কালভার্ট, ঝুঁকি নিয়ে চলাচল পথচারীদের

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৪, ১০:০৭

নওগাঁর রাণীনগরের চৌধুরীপুকুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের গ্রামীণ রাস্তার কালভার্ট ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বর্তমানে জনগুরুত্বপূর্ণ কালভার্টের মাঝের অংশ ভেঙে রড বের হয়ে থাকায় প্রতিনিয়তই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। 

জানা গেছে, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে গ্রামীণ মাটির রাস্তাসমূহ টেকসই করণের লক্ষ্যে হেরিংবোন বন্ড (এইচবিবি) করণ প্রকল্পের আওতায় কালিগ্রাম কসবাপাড়া মসজিদ হতে কলি ডাক্তারের বাড়ি অভিমুখী ইসরাফিল আলম সড়ক পর্যন্ত রাস্তা এইচবিবিকরণ (১০০০ মিটার) কাজের ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ১৬ তারিখে ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন সাবেক এমপি মরহুম ইসরাফিল আলম। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বরাদ্দকৃত ৫৪,৯৭,৯০৫ টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে উপজেলা ত্রাণ শাখা। এই রাস্তার প্রবেশের মুখেই তৈরি করা হয়েছিল ছোট একটি কালভার্ট। কালভার্টটি নির্মাণের চার বছরেই ভেঙে পড়েছে এক-তৃতীয়াংশ। এই গ্রামীণ সড়কের পাশে চৌধুরী পুকুর পাড়ে তৈরি করা হয়েছে ৫৯টি ঘরের আশ্রয়ণ প্রকল্প। এ ছাড়া এই সড়কের পাশে রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও। ফলে আশ্রয়ণের বাসিন্দাসহ কসবাপাড়া গ্রামসহ কয়েকটি গ্রামের কয়েক হাজার বাসিন্দারা চলাচল করে ইট বিছানো এই জনগুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে। কৃষি পণ্যসহ বিভিন্ন উপকরণ নিয়ে রাস্তাটি দিয়ে চলাচল করতে হয় গ্রামবাসীদের। বর্তমানে ভেঙে যাওয়া ওই কালভার্ট দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে পায়ে হেটে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদের। এ ছাড়া রাতের আঁধারে ভ্যানগাড়িসহ ছোট যানবাহন নিয়ে চলাচলের সময় অজান্তেই কালভার্টের ওই ভেঙে যাওয়া অংশে পড়ে গিয়ে ঘটছে নানা দুর্ঘটনা।  

চৌধুরীপুকুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মোমিন খন্দকার বলেন, কাজ শেষে বেশির ভাগ সময়ই রাতেই আমাদের ঘরে ফিরতে হয়। তাই রাস্তার মাঝে দীর্ঘদিন ভেঙে রড বের হওয়া কালভার্টটি দিয়ে চলাচলের সময় মনের অজান্তেই দুর্ঘটনায় পড়তে হচ্ছে। অনেকেই ভ্যানগাড়ি কিংবা ছোট ছোট যানবাহন নিয়ে যাতায়াতের সময় ওই কালভার্টের গর্তে পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছেন। দ্রুত কালভার্টটি মেরামত কিংবা নতুন করে দীর্ঘস্থায়ী একটি কালভার্ট নির্মাণ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মেহেদী হাসান মুঠোফোনে প্রতিবেদককে জানান যে, ভেঙে যাওয়া কালভার্টটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। 

ইত্তেফাক/পিও