মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ১০ বৈশাখ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

সাভারে আকাশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি হৃদয়সহ গ্রেপ্তার ৮

আপডেট : ২৬ মার্চ ২০২৪, ১০:১১

সাভারে মোবাইল হারানোর দ্বন্দ্বে আকাশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় প্রধান আসামি হৃদয় হোসেনসহ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৪। এ সময় তাদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, হেরোইন ও কষ্টিপাথর সাদৃশ্য মূর্তি উদ্ধার করা হয়েছে। 

সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা হৃদয় গ্রুপের প্রধান মো. হৃদয় হোসেন ওরফে গিয়ার হৃদয় (২৪), মো. আরিয়ান আহম্মেদ জয় (২৩), নাসির উদ্দিন নাসু (৫২), মো. আবিরুল হক আবির (২৪), জোবায়ের হাসান খন্দকার (১৯), মো. জাকির হোসেন রনি (৩০), মো. জাহিদুল ইসলাম জাহেদ (৩৬) এবং আমির হামজা (২১)।

খন্দকার আল মঈন বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সাভার এলাকায় বেশ কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এসব হত্যাকাণ্ডের পেছনে হৃদয় গ্রুপের সদস্যদের সম্পৃক্ততা রয়েছে। গত বছরের ৯ জুলাই মাদক ব্যবসার টাকা ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে ‘হৃদয় গ্রুপের’ সদস্যরা ‘পিনিক রাব্বি গ্রুপের’ সদস্য আকাশ মাহমুদ নামের এক যুবককে দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করেছিল। এ ঘটনার পর থেকে তারা পলাতক ছিল। গত ৪-৫ বছর ধরে হৃদয়ের নেতৃত্বে ‘হৃদয় গ্রুপ’ পরিচালিত হয়ে আসছে। তাদের গ্রুপে ১০-১৫ জন সদস্য রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা এলাকায় ছিনতাই, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা, জমি দখল, চাঁদাবাজি, অপহরণ ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা করত।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা সাভারের আড়াপাড়া এলাকায় একটি বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে একটি মোবাইল হারানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোবাইল চুরির অভিযোগে দুই যুবককে মারধর করে। পরবর্তী সময়ে ঘটনার জের ধরে সাভারের একটি খাবার হোটেলের ভেতর ‘হৃদয় গ্রুপ’ ও ‘পিনিক রাব্বি গ্রুপের’ সংঘর্ষে আকাশকে ধারালো দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এ ছাড়াও গ্রেপ্তারকৃতরা পূর্বশত্রুতার জের ধরে ছিনতাই করা টাকা ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে গত ২২ মার্চ আমজাদকে হত্যার উদ্দেশ্যে কৌশলে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর জখম করে সাভার এলাকার সবুজবাগ পুকুর পাড়ে ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তী সময়ে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

ইত্তেফাক/পিও