মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ডিফেন্স সার্ভিস টেকনোলজিক্যাল একাডেমিতে (ডিএসটিএ) এবং পিন-ও-লুইন শহর ও এর আশেপাশের তিনটি স্থানে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর একটি জোটের হামলায় দুই জন নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে চালানো এই হামলা দু'জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। সেনাসহ আরও কয়েকজনকে আহত হয়েছে।
মিয়ানমারের সংবাদপত্র ইরাবতি জানায়, এটি ডিএসটিএতে কয়েক দশকের মধ্যে এটি প্রথম আক্রমণ।
সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাও মিন তুন, ইরাবতিকে নিশ্চিত করেছেন যে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৫ টা নাগাদ মান্দালয় অঞ্চলের ওই একাডেমিতে কমপক্ষে পাঁচটি আর্টিলারি শেল দিয়ে আক্রমণ করা হয়।
তিনি বলেন, “বিদ্যালয়ের পক্ষে কর্মরত একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন এবং একজন সেনা আহত হয়েছেন। ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে”।
আরও পড়ুনঃ ‘‘ভারতকে ‘হিন্দু পাকিস্তান’ বানাবে বিজেপি’’, মন্তব্যে পরোয়ানা
উত্তরাঞ্চলীয় শান রাজ্যে সক্রিয় জাতিগত পালাং সশস্ত্র গোষ্ঠী তায়াং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মির (টিএনএলএ) -এর মুখপাত্র মং আইকে কিউ এই হামলার দায় স্বীকার করে বলেছেন, হামলাগুলি টিএনএলএন, আরাকান আর্মি এবং মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি চালিয়েছে। এ সংগঠনগুলি কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে যুদ্ধবিরতিতে স্বাক্ষর করেনি।
ইত্তেফাক/টিএস
