তথ্যমন্ত্রী

‘ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেননি শেখ হাসিনা, তাই দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে’

আপডেট : ২১ আগস্ট ২০২৬, ২৩:২৯

অতীতের কর্মকাণ্ড থেকে শেখ হাসিনা শিক্ষা নেননি বলেই তাকে দেশ ছেড়ে পালাতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে সাংবাদিক ও লেখক ইমরুল কায়েসের লেখা ‘তারেক রহমান: নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ প্রচার’ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মাতৃভাষা প্রকাশ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ইতিহাস থেকে স্বৈরশাসকদের শিক্ষা না নেওয়ার পরিণতি তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, হিটলারসহ ইতিহাসের অনেক শাসক অতীত থেকে শিক্ষা নেননি। তাদের পরিণতিও ভয়াবহ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনাও ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেননি। সে কারণেই জনগণের ম্যান্ডেট হারিয়ে তাকে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।’

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সত্য, চিন্তা এবং জনগণের রাজনৈতিক স্পৃহাকে শক্তি প্রয়োগ কিংবা আইনি নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে চিরতরে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তার ভাষায়, ফ্যাসিবাদী মনোজগৎ সাময়িকভাবে কাউকে নিষিদ্ধ করতে পারে বা জনগণকে বিভ্রান্ত করতে পারে। কিন্তু কোনোভাবেই চিরদিনের জন্য সত্যকে বন্দি করে রাখা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতি ও স্রষ্টার আইন নিজস্ব গতিতেই চলে। তারেক রহমানকে নিয়ে প্রকাশিত ‘তারেক রহমান: নিষিদ্ধ সময়ে নিষিদ্ধ প্রচার’ বইটি স্বৈরাচারী ও ফ্যাসিবাদী মনোজগতের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক সত্যের একটি দলিল।

রাজনৈতিক নিপীড়ন ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও তারেক রহমান এবং তার পরিবারের আত্মত্যাগের কথা উল্লেখ করেন জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, তাদের এই আত্মত্যাগ গণতন্ত্রের প্রতি জনগণের আগ্রহ এবং রাজনৈতিক স্পৃহাকে আরও শক্তিশালী করেছে।

বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস এবং পাবনা-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এ কে এম সেলিম রেজা হাবিব।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট নজমুল হক নান্নু এবং বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) মহাসচিব কাদের গনি চৌধুরী।

বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ড. আবদুল হাই সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মাতৃভাষা প্রকাশের প্রকাশক নেসার উদ্দীন আয়ূব। অনুষ্ঠানে বইটির লেখক ইমরুল কায়েসও নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেন।

ইত্তেফাক/এএম