অবশেষে আজ খুলল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

অবশেষে আজ খুলল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
ছবি: আব্দুল গনি

করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারি পরিস্থিতিতে দেশের প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বের পর আজ খুলল। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমে উন্নতির দিকে যাওয়ায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলা হলে শিক্ষার্থীরা যেন করোনায় সংক্রমিত না হয়, সে জন্য সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন স্বয়ং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশের সব স্কুল-কলেজ আজ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেওয়া হচ্ছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, আগে স্বাস্থ্য, পরে শিক্ষা।

চলতি বছরের ২৪ আগস্ট প্রকাশিত জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার কারণে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে স্কুল বন্ধ থাকা দেশের মধ্যে বাংলাদেশ দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে সংক্রমণ প্রতিরোধেই জোর দিতে হবে।

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করছে। তবে এরই মধ্যে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় সব শিক্ষক এবং বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩ লাখ শিক্ষক ও কর্মচারী টিকা নিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি প্রাধান্য দেব।’ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত বছরের ১৭ মার্চ বন্ধ ঘোষণা করে সরকার।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি কত দূর 

ছবি: আব্দুল গনি

সেই থেকে এ পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যায়নি। খুব কম দেশই এত দীর্ঘ সময় ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রেখেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে শিক্ষাগত, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও আর্থিক কী ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণ করা খুবই কঠিন। করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ছুটির পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আবার চালু হতে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে শিক্ষার পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাবে শিক্ষার্থীর স্বাস্থ্যসচেতনতা। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষা কার্যক্রম চললে তখন অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম ততটা বেশি গুরুত্ব পাবে না। ক্লাসে আগে যেমন একসঙ্গে পাশাপাশি অনেক শিক্ষার্থীর বসার ব্যবস্থা ছিল, তা রাখা যাবে না।

টিফিনে দল বেঁধে আড্ডা দেওয়ার পরিবেশও বদলে যাবে। সামাজিক দূরত্ব মেনে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসা-যাওয়া করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রছাত্রীরা যাতে নিরুদ্বিগ্ন চিত্তে আসে, সেই ব্যবস্থা দরকার। অন্যদিকে মহামারির মধ্যে সন্তানকে স্কুলে রেখে অভিভাবকদের উত্কণ্ঠা বেড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ভারসাম্য দরকার। এই ভারসাম্য আনার দায়িত্ব একা সরকারের নয়, একা শিক্ষা বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নয়, দায়িত্বটি গোটা জাতির। এসব বিষয় চিন্তা করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান চালাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। তবে শিক্ষার্থীদের পাঠদান চলবে সারা বছরই।

এদিকে করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে সবাইকে মাস্ক পরার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু শিশুদের (৫ থেকে ১২ বছর) মাস্ক পরার বিষয়টিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন দিচ্ছে না। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের টিকা দেওয়ার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এখন দেড় লাখের বেশি প্রতিষ্ঠানই খুলে দিতে হবে। এই বৈচিত্র্যের কারণে সবার জন্য একধরনের বিধিবিধান প্রযোজ্য হবে না। বাংলাদেশের শিক্ষাক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে।

এই বৈষম্য গ্রামে ও শহরে, বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমে, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে। বৈষম্য আছে প্রাক্-স্কুল, প্রাথমিক স্তরে, মাধ্যমিক স্তরে, কলেজে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে। করোনার কারণে গ্রামাঞ্চলের অনেক প্রাথমিক স্কুল বন্ধ আছে, বন্ধ আছে রাজধানীর শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ইংরেজি মাধ্যম স্কুল। আর্থসামাজিক অবস্থার দুই প্রান্তে থাকা এ দুই ধরনের প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরো নানা ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আছে। করোনা ভাইরাসের এই সমস্যা রাতারাতি নির্মূল হচ্ছে না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি কত দূর 

ছবি: আব্দুল গনি

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার আগেই সব প্রস্তুতি নিতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে যে জটলার সৃষ্টি হবে, তা কীভাবে সমন্বয় করা হবে তা নিয়ে ভাবা দরকার। শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সুস্থ আছেন কি না, তা যাচাই করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে করোনা রোগ নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হবে বিকল্প হিসেবে। আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করার। করোনা পুরো নির্মূল না হলে বা পরিস্থিতি খুবই অনুকূলে না গেলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হবে বলে মনে করেন শিক্ষাসংশ্লিষ্টরা। কারণ, রাজধানীর বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানসহ দেশের বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গাদাগাদি করে ক্লাস নেওয়া হয়।

বেসরকারি অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বেঞ্চগুলো চার বা সাড়ে চার ফুট। এসব বেঞ্চে বসানো হয় তিন থেকে চার জন শিক্ষার্থী। এ কারণে সব শিক্ষার্থীর উপস্থিতি নিশ্চিত করে শারীরিক দূরত্ব মেনে ক্লাস করানো সম্ভব হবে না। শিক্ষার্থীরা নির্দিষ্ট সময়ে একসঙ্গে ঢোকার সময় এবং ক্লাস নেওয়ার সময় শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা সবচেয়ে কঠিন কাজ। তাছাড়া শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ক্লাস চালাবে এমন অবকাঠামো বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই। হাঁচি দেওয়ার সময় মুখ ও নাক ঢাকতে টিস্যু বা কনুই ব্যবহার করতে হবে। মহামারির শুরুর দিকে বিশ্বের অনেক দেশ তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়।

তবে যখন সেসব দেশে আস্তে আস্তে করোনা বাইরে যে প্রকট এবং লকডাউন শীতল হয়ে আসে, তখন শ্রেণিকক্ষে খোলা হাওয়া (ক্রস ভেন্টিলেশন), প্রতিষ্ঠানে সমাবেশ বা জটলা কমানো, মাস্ক পরা, নিয়মিত হাত ধোয়া, শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ করা—এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল। এ ছাড়া কারো করোনা শনাক্ত হলে তাকে প্রতিষ্ঠানে আসা থেকে বিরত রাখা, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতে হবে। স্বাস্থ্য খাতে সমতা, টিকাকরণ, মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, স্কুলের সহযোগী কর্মীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, বায়ু চলাচল (ভেন্টিলেশন), হাত ধোয়া—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া আছে। বিভিন্ন উন্নত দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার জন্য যেসব কৌশল অবলম্বন করেছে, তার সবকিছু বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত নয়, কিছু ক্ষেত্রে জুতসইও নয়।

যেমন প্রতি সপ্তাহে দ্রুত শনাক্তকরণ কিটের ব্যবহার বাংলাদেশে সম্ভব নয়। বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের মতো করে খুলতে হবে। ওই সব দেশের কিছু পদক্ষেপ অনুসরণ করাই যায়, যেমন মহামারি মোকাবিলার ক্ষেত্রে করা হয়েছে। করোনার মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যাপারে ইউনিসেফের গাইডলাইন মেনে পরিকল্পনা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার লক্ষ্যে এরই মধ্যে জেলায় জেলায় কেবল শিক্ষার্থীদের জন্য টিকাদান কেন্দ্র খোলা হবে বলে জানানো হয়েছে। এমনকি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে না গেলেও নিয়মিতই ঘরের বাইরে বের হচ্ছেন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ক্ষতির পাশাপাশি মানসিকভাবেও অসুস্থ হয়ে পড়ছে তারা। এ কারণে সন্তানকে স্কুলে পাঠাতে চান অভিভাবকেরা। কিন্তু আমাদের মনে রাখতে হবে সন্তানের স্বাস্থ্যঝুঁকির বিষয়টিও। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার পর স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে মনিটরিং সেল গঠন করা অত্যাবশ্যকীয়।

প্রথম দুই মাসের মধ্যে পরীক্ষা বা মূল্যায়ন নয়

ছবি: আব্দুল গনি

এদিকে শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ অন্যান্য জনবলের সমস্যাসহ নানামুখী সীমাবদ্ধতার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মানা এবং অন্য পরিকল্পনাগুলো ঠিকমতো বাস্তবায়ন করা যাবে কি না, তা বড় চ্যালেঞ্জ। যা-ই করা হোক না কেন, তা শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে। সরকারের গাইডলাইন অনুযায়ী স্কুলকে প্রস্তুত করতে প্রয়োজনীয় কিছু প্রস্তুতিই নেওয়া হয়েছে। বস্তুত শিক্ষা নিয়ে আমরা উভয় সংকটে রয়েছি। দেড় বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার প্রশ্নের বিপরীতে রয়েছে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার দুশ্চিন্তা। এই উভয় সংকটে শিক্ষা মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে অবশ্যই। সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রত্যেককে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। শিশু নয় এমন অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ সময় মাস্ক পরলে শ্বাসকষ্টে ভোগে। এদের ক্ষেত্রে কী হবে, তা এখনো পরিষ্কার করে কেউ কিছু বলছেন না।

অন্যদিকে প্রতিষ্ঠানে আসার পর কিছু শিক্ষার্থীর মাস্ক নষ্ট বা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ার ঝুঁকি আছে। এ কারণে শ্রেণিকক্ষে বা প্রতিষ্ঠানের সুবিধামতো স্থানে কিছু মাস্ক সব সময়ের জন্য মজুত রাখার কথা ভাবতে হবে। ফটক বন্ধ থাকার কারণে শহরের অনেক প্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভিড় জমে। ভিড় এড়ানোর পথ খুঁজতে হবে। ক্লাস শুরুর আগে প্রতিটি বেঞ্চে জীবাণুনাশক ছিটিয়ে দেওয়ার কথা বলছেন অনেকে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে মহামারি প্রতিরোধক মাস্ক, জীবাণুনাশক এবং নন-কন্ট্যাক্ট থার্মোমিটার সংগ্রহ করতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বহিরাগত শিক্ষাদানকর্মীদের শরীরের তাপমাত্রা নিতে হবে। যাদের শরীরের তাপমাত্রা বেশি পাওয়া যাবে, তাদের প্রবেশ নিষেধ করতে হবে।

শ্রেণিকক্ষসহ মেঝে ও ঘরের দরজার হাতল, সিঁড়ির হাতলসহ বিভিন্ন বস্তুর তলপৃষ্ঠ ঘন ঘন পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করতে হবে। শিক্ষাদান কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। হাত ধোয়াসহ অন্য সব স্বাস্থ্যবিধি শক্তিশালী করতে হবে। দ্রুত হাত শুকাতে জীবাণুনাশক টিস্যু ব্যবহার করতে হবে। প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের বাবা-মা-অভিভাবকদের অপেক্ষার অবসান ঘটবে।

বহুদিন পর ছাত্রছাত্রীরা তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরবে। খুলবে স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা। শিক্ষার্থীদের এই আগমন সুন্দর হোক, শুভ হোক, স্বাস্থ্যসম্মত হোক, নিরাপদ হোক-এই প্রত্যশায় জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

লেখক: ডেপুটি রেজিস্ট্রার, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

ইত্তেফাক/এএএম

  • সর্বশেষ খবর
  • সর্বাধিক পঠিত
আরও
আরও
x