বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২, ৫ মাঘ ১৪২৮
দৈনিক ইত্তেফাক

আনন্দ মোহন কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, হল বন্ধ 

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:২২

ময়মনসিংহের আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগ ইউনিটকে জেলার অধীনে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। এই নিয়ে জেলা ও মহানগর ছাত্রলীগের অনুসারীদের মধ্যে উত্তেজনা, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় শনিবার (৪ ডিসেম্বর)) সন্ধ্যায় আনন্দ মোহন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আমান উল্লাহ স্বাক্ষরিত নোটিশে প্রতিষ্ঠানটির সব আবাসিক হল বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়। 

নোটিশে বলা হয়, রাত সাড়ে ৮টার মধ্যে ছেলেদের এবং রবিবার সকাল ৮টার মধ্যে মেয়েদের হল ত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হলো। 

এর আগে, শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ আনন্দ মোহন কলেজ ছাত্রলীগ ইউনিটকে জেলার অধীনস্থ ঘোষণা করে। এরপর শনিবার সকাল থেকেই ছাত্রলীগের কিছু কর্মী আনন্দ মোহন কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থান নেন এবং কলেজ ছাত্রলীগ শাখাকে মহানগর শাখায় অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানিয়ে শ্লোগান দিতে থাকেন। এই নিয়ে দুপুরের দিকে ছাত্রলীগের অন্য একটি অংশ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

মহানগর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক নওশেল আহমেদ অনি বলেন, মহানগরের কোনো ছাত্রলীগ নেতা বা কর্মী আনন্দ মোহন কলেজে যায়নি। শুনেছি, সেখানে জেলা ছাত্রলীগ ককটেল ফাটিয়েছে।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আল আমিন বলেন, মহানগর ছাত্রলীগ আনন্দ মোহন কলেজে হাতাহাতি করেছে ও ককটেল ফাটিয়েছে শুনেছি। জেলা ছাত্রলীগের কোনো নেতা বা কর্মী আনন্দ মোহন কলেজে যায়নি। তবে, কেউ যদি জেলা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ককটেল ফাটানোর অভিযোগ করে থাকে সেটি অবশ্যই মিথ্যা। কারণ, জেলা ছাত্রলীগের সব নেতাকর্মী টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের দাওয়াতে টাঙ্গাইলে অবস্থান করছে।

কোতোয়ালী মডেল থানার ওসি শাহ কামাল আকন্দ বলেন, দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ইত্তেফাক/কেকে

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মঞ্চস্থ হলো ‘টিনের তলোয়ার’