জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। ময়মনসিংহের ত্রিশালের নামাপাড়া গ্রামের যে বট গাছের নিচে কবি নজরুল বাঁশি বাজাতেন, সেই বটতলার কাছেই ২০০৬ খ্রিস্টাব্দের ৯ মে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। আজ বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ১৬ বছর পূর্ণ হলো, পদার্পণ করলো ১৭তম বছরে।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রথম পর্ব সোমবার (৯ মে) সকাল থেকে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে জাতীয় সংগীত, জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, পায়রা অবমুক্তকরণ, বেলুন উড়ানো ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শেষে কেক কাটা হয়। এরপর সাড়ে ১০টায় গাহি সাম্যের মঞ্চে আলোচনা সভা হয়। এ ছাড়াও, সন্ধ্যা ৭টায় চলচ্চিত্র প্রদর্শনী হবে।
থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হীরক মুশফিকের সঞ্চালনায় প্রথম পর্বের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিলক্ষ্য হচ্ছে সাংস্কৃতিক শিক্ষার পাশাপাশি সাধারণ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ক পঠন-পাঠনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী শক্তির বিকাশ ঘটানো। দেশের আধুনিক ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে গবেষণা ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের দ্বারা জাতীয় উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখা।’
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক জালাল উদ্দীন, ডিন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম। আলোচক ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. শেখ সুজন আলী, প্রক্টর অধ্যাপক ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি প্রকৌশলী জোবায়ের হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবির। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন করতে ১১ মে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে।

কৃষ্ণচূড়ায় সুশোভিত নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়