বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৩ আশ্বিন ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

ইউক্রেন যুদ্ধ : পাওয়ার প্ল্যান্টের আশপাশের লড়াইয়ে ঝুঁকি বাড়ছে পারমাণবিক দুর্ঘটনার

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২২, ০৩:২৫

ইহোর (ইউক্রেনের বাসিন্দা) বহুবার ভেবেছেন, তিনি কাজ ছেড়ে দেবেন। কাজে ফিরবেন না আর কখনোই। যদিও শেষ পর্যন্ত তিনি তা করেননি। ইহোরের মতো লোকেরা যদি দায়িত্ব পালন বন্ধ করে দিতেন, তাহলে জাপোরিঝিয়ার পরিস্থিতি অনেক আগেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেত।

ইহোর একজন পারমাণবিক প্রকৌশলী। ইউরোপের যে ছয়টি বৃহত্তম পারমাণবিক চুল্লি ব্লক রয়েছে, তার একটিতে কাজ করেন তিনি। তিনি নিয়োজিত রয়েছেন জাপোরিঝিয়া নামক পারমাণবিক চুল্লিতে। এটি দক্ষিণ ইউক্রেনের এনেরহোদার শহরে দিনিপার নদীর তীরে অবস্থিত। ইউক্রেনীয় যোদ্ধা ও রাশিয়ান সামরিক বাহিনী মুখোমুখি অবস্থান করছে এই অঞ্চলে। উভয় পক্ষ একে অপরকে লক্ষ্য করে কামান দাগছে। গোলাবর্ষণ করছে। পাওয়ার প্ল্যান্টটি বিপজ্জনকভাবে কাছাকাছি হওয়া সত্ত্বেও তারা এই এলাকায় সংঘর্ষ চালিয়ে যাচ্ছে। কে বলবে, সম্ভবত বিপজ্জনক পাওয়ার প্ল্যান্টের জন্যই এই অঞ্চলকে বেছে নেওয়া হয়েছে!

যুদ্ধের আগে এই এলাকায় সোভিয়েতের ডিজাইন করা ছয়টি ভিভিইআর-১০০০ চাপযুক্ত হালকা জলের চুল্লি থেকে প্রয়োজনীয় শক্তির প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মেটাত ইউক্রেন। ৪ মার্চ থেকে রাশিয়ান সেনাবাহিনীর দখলে রয়েছে চুল্লিটি। দখলকারীরা এই কমপ্লেক্সকে একটি দুর্গে পরিণত করেছে। প্রকৌশলী ইহোরসহ এখানে প্রতিদিন কাজ করা লোকজনের ওপর কড়া নজরদারি চালায় দখলদার বাহিনীর সদস্যরা। তথ্য ফাঁস ঠেকাতেই মূলত এরূপ কড়া নজরদারির ব্যবস্থা।

তবে নজরদারি সত্ত্বেও জাপোরিঝিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পিগেলের (আমাদের) সঙ্গে কথা বলার সিদ্ধান্ত নেয় ইহোর। তার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য আমাদের বেশ কয়েকটি প্রাথমিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছিল যদিও। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা তার কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হই। প্রকৌশলী ইহোর একটি মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে আমাদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বর্ণনা করেন, কীভাবে শত্রুরা তার শহরে প্রবেশ করে এবং তার কর্মস্থল কবজা করে।

আগস্টের শুরুর দিকে পারমাণবিক বিদু্যত্কেন্দ্রের আশপাশে আঘাত হানে রকেট লঞ্চার। মস্কো ও কিয়েভ এই হামলার জন্য একে অপরকে দোষারোপ করে। তবে কে হামলা চালিয়েছে, তা এখন অবধি স্পষ্ট নয়। ইউক্রেনীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা এনারহোয়াটম গত বৃহস্পতিবার চুল্লিতে আরো গোলাবর্ষণের কথা জানিয়েছে। নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও তেজস্ক্রিয় পদার্থ সংরক্ষণাগারের কাছাকাছি পাঁচটি প্রজেক্টাইল পড়ে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়। এনারহোয়াটম পরে জানায়, প্ল্যান্টের ফায়ার স্টেশনের কাছে আঘাত হানে আরো পাঁচটি শেল।

প্ল্যান্টকে ঘিরে এজাতীয় হামলার ঘটনা এই ইঙ্গিত দেয় যে, যুদ্ধের ফলে পারমাণবিক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস জাপোরিঝিয়ার ঘটনাকে ‘আত্মঘাতী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদও বিবৃতি দিয়েছে এ বিষয়ে। ইন্টারন্যাশনাল অ্যাটমিক এনার্জি এজেন্সির মহাপরিচালক রাফায়েল গ্র্রসি জাপোরিঝিয়া পরিস্থিতিকে ‘সম্পূর্ণভাবে অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ফায়ার স্টেশনকে ঘিরে সামরিক হামলার ফল হবে ভয়াবহ। তিনি সতর্কতা উচ্চারণ করে বলেন, ‘এটি প্রকৃতপক্ষে আগুন নিয়ে খেলা করার শামিল, যার পরিণতি হবে অত্যন্ত বিপর্যয়কর।’

অস্ত্র ও পারমাণবিক শক্তি বিশেষজ্ঞ, কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন স্পিগেল ইন্টান্যাশনালের সাংবাদিকদের একটি দল, যারা প্রকোশলী ইহোরের মতো পারমাণবিক কেন্দ্রে নিযুক্ত আছেন বা নিযুক্ত হয়েছেন। স্পিগেলের প্রতিবেদকেরা স্যাটেলাইট চিত্র এবং অন্যান্য বিভিন্ন উত্স থেকে সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনা করেন। এই গবেষণা থেকে দেখা যায়, রাশিয়া কীভাবে সুরক্ষাসীমা লঙ্ঘন করে চলেছে, বিশেষ করে জাপোরিঝিয়ায়। বিপর্যয়ের ঝুঁকি নিয়ে মশকরা করছেন পুতিন।

যুদ্ধ শুরুর মাত্র কয়েক দিন পরই সমস্ত ইউক্রেনীয় সৈন্য, পুলিশ অফিসার ও গোয়েন্দা কর্মীরা পালিয়ে যান ‘শক্তি সরবরাহের প্রাণকেন্দ্র’ খ্যাত এনারহোদার থেকে। এনারহোদারের একজন সৈনিক, যিনি বর্তমানে কিয়েভে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত, বলেন, ‘নদীঘেরা এলাকাটি বিভিন্ন চড়াই-উতরাইয়ে পরিবেষ্টিত। এলাকাটিকে রক্ষা করা প্রায় অসম্ভব। আমাদের সৈন্যদের চারদিক থেকে ঘিরে ফেলার ঝুঁকি ছিল।’

যখন বাসিন্দারা বুঝতে পেরেছিল যে কোনো প্রকার সুরক্ষা ছাড়া তারা পিছিয়ে পড়বে, তখন তারা নিজেরাই তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরি করতে শুরু করে। যদিও অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছিল। মেয়র দিমিত্রো অরলভের মতে, ‘ততক্ষণে শহর ও গাছপালা ঘিরে ফেলা হয়।’ মেসেঞ্জার অ্যাপ টেলিগ্রাম ব্যবহার করে একটি নজরদারি গ্রুপ গড়ে তোলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। শহর ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে একটি চেক পয়েন্ট তৈরি করা হয়। খনন করা হয় পরিখা। মোলোটভ ককটেলের পাশাপাশি বালু, কংক্রিট, ধাতব ও গাড়ির টায়ার মিশ্রিত করে ব্যাগে ভর্তি করা হয়। হান্টিং রাইফেলধারীদের নিযুক্ত করা হয় চেক পয়েন্ট পরিচালনার দায়িত্বে। কিন্তু এতকিছুর পরও মার্চের শেষে নিজেদের অবস্থান ত্যাগ করতে হয় তাদের।

রাশিয়ান বাহিনী দুটি ট্যাংক এবং বেশ কয়েকটি সাঁজোয়া যান নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে পারমাণবিক বিদু্যত্কেন্দ্রের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু করে। ন্যাশনাল গার্ডের সদস্যরা মুখোমুখি হন তাদের। একটি ইউক্রেনীয় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে রাশিয়ান ট্যাংকে। পালটা গুলি ছোড়ে হানাদাররা। প্রায় ১০০ মিটার দূরে অবস্থিত একটি চুল্লিতে লেগে যায় আগুন। একটি বিদ্যুৎ সরবরাহ ও পারমাণবিক বর্জ্য সংরক্ষণাগার আঘাতপ্রাপ্ত হয়। নজরদারি ক্যামেরায় ধরা পড়া সাদা-কালো ছবি সারা বিশ্বের মানুষকে হতবাক করে তোলে—পারমাণবিক বিদু্যত্কেন্দ্রে আগুন? এটি অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। কেননা, ১৯৮৬ সালের চেরনোবিল চুল্লির বিপর্যয়কর পরিণতি আজও বয়ে বেড়াতে হচ্ছে ইউক্রেনকে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়াকে ‘পারমাণবিক সন্ত্রাস’ বলে অভিযুক্ত করেছেন।

এনেরহোদার শহর দখল করার পর রাশিয়ান সৈন্যরা মেয়র অরলভ ও তার ডেপুটি ইভান সামোইডিউকের অফিসে গিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল রুশ বাহিনীকে সহযোগিতা করতে তাদের বাধ্য করা। ঘটনা সম্পর্কে অরলভ বলেন, ‘তারা আমাকে এবং আমার পরিবারকে হুমকি দেয়।’ তবে এসবের পরও এ দুই ব্যক্তি রাশিয়ান বাহিনীকে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেন। সামোইডিউককে ১৯ মার্চ গ্রেপ্তার করা হয়। তারপর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি। এপ্রিলের শেষে ইউক্রেনীয় গোয়েন্দাদের সহায়তায় নিরাপদে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন অরলভ।

মূলত দক্ষিণাঞ্চলে ইউক্রেনের পালটা আক্রমণ প্রতিহত করার জন্যই রাশিয়ান সামরিক বাহিনী পরমাণুকেন্দ্রটিকে একটি ঘাঁটিতে পরিণত করেছে। ইউক্রেনের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা এইচইউআরের মতে, এনেরহোদার শহরে রাশিয়ার প্রায় ১ হাজার সৈন্য রয়েছে। ন্যাশনাল গার্ড ও রাশিয়ান আধা সামরিক ওয়েগনার গ্রুপের ইউনিটসহ পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাইটে আরো পাঁচ শতাধিক লোক রয়েছে। যোদ্ধারা গ্রেনেড লঞ্চার, অ্যান্টি ট্যাংক, অ্যান্টি এয়ারক্রাফ্ট মিসাইলসহ নানা সরঞ্জামে সজ্জিত। একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, ‘শত্রুরা কামান ও বিমান বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র রাখার জন্য ওভারপাস ও ক্যানোপি (শামিয়ানাজাতীয়) ব্যবহার করছে। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ারিং রুমে গোলাবারুদ মজুত করা হচ্ছে।’ ক্রেমলিনের সমালোচনাকারী হিসেবে খ্যাত রাশিয়ান অনুসন্ধানী পোর্টাল দ্য ইনসাইডারের মতে, পারমাণবিক চুল্লি ব্লক-১-এর ইঞ্জিনরুমে গর্ত খনন করা হয়েছে।

প্রকৌশলী ইহোর বলেন, রাশিয়ানরা জাপোরিঝিয়ায় ভারী অস্ত্র জড়ো করেছে। তিনি বলেন, ট্রুপ ক্যারিয়ার, রকেট লঞ্চার ও ট্রাক দেখেছেন তিনি। তার ভাষ্যমতে, রাশিয়ানরা বিভিন্ন ভবনে পরিখা খনন করেছে। নদীর তীরে গর্ত খঁুড়েছে, যাতে করে গর্তে পা রাখলে ঘায়েল করা যায় প্রতিপক্ষকে। ইহোর ভাষ্যমতে, রাশিয়ান সৈন্যরা পারমাণবিক বিদু্যত্কেন্দ্রের চারপাশে কংক্রিটের ব্লক দিয়ে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে অতি সম্প্রতি। ইহোর বলেন, ‘তারা একটি রক্ষণাত্মক লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে, যা বাস্তবিক অর্থে উন্মাদতায় পরিপূর্ণ।’

নিকোপোল শহরের জাপোরিঝিয়া থেকে দিনিপার নদীর ইউক্রেন নিয়ন্ত্রিত অংশে গুলি চালাচ্ছে রাশিয়ান বাহিনী। সেখানে বহু হতাহত হয়েছে। ১১টি ভবন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৪৬৯টি ভবন। গ্রামে এখন আর কোনো কাচের গ্লাস পাওয়া যায় না। ভাঙা জানালাগুলো আটকাতে প্লাস্টিকের শিট ব্যবহার করা হচ্ছে। এই এলাকায় বসবাসরত ১ লাখ বাসিন্দার অর্ধেকের বেশি পালিয়ে গেছে।

জুলাইয়ের শেষের দিকে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাইটে একটি ড্রোন হামলা চালায়। এতে একটি ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস হয়। মারা যান তিন জন রাশিয়ান সৈন্য। প্রতিনিয়ত এই এলাকায় সংঘর্ষ কতটা বাড়ছে এই আক্রমণ তারই নমুনা। এই হামলার ঘটনাকে সংঘর্ষ বৃদ্ধির সূচনা বলে মনে হচ্ছে।

রাশিয়া গোলাগুলির জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করছে। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ‘ইউরোপের ভূখণ্ডসহ একটি বিস্তীর্ণ অঞ্চলের জন্য বিপর্যয়কর পরিণতি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন ইতিমধ্যে। জাপোরিঝিয়া প্রদেশের দখলকৃত অংশের রাশিয়ার নিযুক্ত গভর্নর ইভজেনি বালিটস্কি বলেন, “ইউক্রেনের এই হামলার ঘটনা তারা দেখাতে প্রস্তুত যে কীভাবে রাশিয়ান সামরিক বাহিনী প্ল্যান্টটিকে রক্ষা করেছে। পারমাণবিক স্থাপনায় আক্রমণ করার জন্য পশ্চিমা সরবরাহকৃত অস্ত্র ব্যবহার করেছে ইউক্রেন। এই হামলার মধ্য দিয়ে ‘গ্রেনেড হাতে বানরের মতো কাজ করেছে’ ইউক্রেন।”

অন্যদিকে ইউক্রেন বলছে, এটি রাশিয়ার একটি ‘পাতানো মিথ্যা’। ইউক্রেনের দাবি, পুতিনের সামরিক বাহিনী ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের সুনামহানি করার জন্য নিজেরাই বিদ্যুৎকেন্দ্রে গুলি চালিয়েছে। ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ার সতর্ক করেছে, ইউক্রেনে পারমাণবিক বিপর্যয়ের বিষয়ে পশ্চিমাদের আশঙ্কা-উৎকণ্ঠায় ফেলতে এবং অস্ত্রের চালান নিয়ে সন্দেহ বাড়িয়ে তুলতে পারমাণবিক কেন্দ্র ব্যবহার করছে রাশিয়া।

যা হোক, যেসব কর্মচারী বিদু্যত্কেন্দ্রটি এখনো সচল রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের অবস্থা দিনে দিনে আরো কঠিন হয়ে উঠছে। প্ল্যান্টে প্রবেশের আগে প্রত্যেককে কঠোরভাবে তল্লাশি করা হয়। মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক লোককে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তাছাড়া বহুজনকে অপহরণ করা হয়েছে। এক-চতুর্থাংশ কর্মী পালিয়ে গেছেন। সব মিলিয়ে ভালো নেই পারমাণবিক চুল্লির পরিবেশ। থেমে নেই হামলার আশঙ্কাও। উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বেড়েই চলেছে।

লেখকদ্বয় : সাংবাদিক

স্পিগেল ইন্টারন্যাশনাল থেকে ভাষান্তর :সুমৃৎ খান সুজন

ইত্তেফাক/ইআ