শনিবার, ২৮ মে ২০২২, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
দৈনিক ইত্তেফাক

নারায়ণগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ

১৭ মামলায় বিচারের মুখোমুখি বিএনপি-হেফাজত নেতাকর্মীরা

আপডেট : ১২ মে ২০২২, ০৩:০০

২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকায় হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশ ও রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিবর্ষণের পরদিন ৬ মে উত্তপ্ত ছিল রাজধানীতে প্রবেশপথ নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। 

ঐদিন ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জের শিমরাইলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে হেফাজতে ইসলাম, স্থানীয় লোকজন ও হেফাজত লেবাসে থাকা জামায়াত-শিবিরের ক্যাডারদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টাব্যাপী ব্যাপক সংঘর্ষে অন্তত সেদিন ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর একজন সদস্য ও পুলিশের দুই জন সদস্য ছিলেন। পরে অবশ্য আরো এক জন বিজিবি সদস্যের মৃত্যু হয়। ঐ সব ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁয়ে ১৭টি মামলা হয়েছিল। ১৭টি মামলার মধ্যে সিদ্ধিরগঞ্জে ১১টি ও সোনারগাঁও থানায় ছয়টি মামলা হয়। সবগুলো মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। ঐ সব মামলায় বিচারের মুখোমুখি হয়েছেন হেফাজত ও বিএনপি নেতারা।

মামলায় জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, সাবেক সভাপতি কাজী মনিরুজ্জামান মনির, সাবেক এমপি গিয়াসউদ্দিন, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ টি এম কামাল, মহানগর যুবদলের সাবেক আহবায়ক কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল হাই রাজু, জেলা বিএনপির সাবেক সেক্রেটারি ও বর্তমান সদস্য সচিব অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, সোনারগাঁ থানা বিএনপির খন্দকার আবু জাফর, আজাহারুল ইসলাম মান্নান, সোনারগাঁও থানা যুবদলের নেতা শহিদুর রহমান স্বপন, বিএনপি নেতা শাহজাহান মেম্বার, বজলুর রহমান, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সালাউদ্দীন সালু, ছাত্রদল নেতা ওমর ফারুক টিটু, ওসমান গনি রিতু সহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

এছাড়া জেলা হেফাজতে ইসলামের সাবেক আমীর মাওলানা আব্দুল আউয়াল, মাওলানা আব্দুল কাদির, মুফতি মাওলানা আজিজুল হক, মাওলানা আব্দুর রহমান, মাওলানা ইব্রাহীম, মাওলানা আবু সায়েম খান, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা মফিজুর রহমান, মাওলানা ফেরদাউসুর রহমানসহ হেফাজতে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের অসংখ্য নেতাকর্মীকেও মামলায় আসামি করা হয়। তবে পরবর্তীকালে বেশির ভাগ মামলার চার্জশিট থেকেই হেফাজতের শীর্ষ কয়েক জন নেতার নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল।

ইত্তেফাক/এমএএম

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

‘ছাত্রদলকে দিয়ে বিএনপি আবারও দেশে অগ্নিসন্ত্রাসের অপচেষ্টা করছে’

খুলনায় ছাত্রলীগ-বিএনপির সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

নোয়াখালী জেলা ছাত্রলীগর কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা 

কুসিক নির্বাচন: আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের সভা আজ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

গণতন্ত্র ও ধর্ম নিরপেক্ষতা পক্ষের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: আনোয়ার হোসেন মঞ্জু

ভাণ্ডারিয়ায় জাতীয় যুবসংহতির দোয়া মোনাজাত ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মোরশেদ হত্যা: ৬ অভিযুক্তকে আওয়ামী লীগ-যুবলীগ থেকে বহিষ্কার 

দুই কৃষকের আত্মহত্যা: দোষীদের বিচারের দাবিতে বিএমডিএ ঘেরাও