শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
The Daily Ittefaq

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পিএইচডি ইনক্রিমেন্ট আবার চালু হবে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

আপডেট : ১৪ জুন ২০২২, ২২:৩০

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ড. দিল আফরোজা বেগম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের পিএইচডি ইনক্রিমেন্ট আবার চালু হবে। খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে জানানো হবে। সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে আলোচনা করছে ইউজিসি।

মঙ্গলবার (১৪ জুন) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) বার্ষিক রিসার্চ রিভিউ ওয়ার্কশপে এসব কথা বলেন তিনি।

গত ১৮ মে এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পিএইচডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য দেওয়া ইনক্রিমেন্ট স্থগিত করে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।

শেকৃবির রিসার্চ রিভিত ওয়ার্কশপে ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সবচেয়ে বেশি গবেষণামুখী হওয়ার কথা। সেখানে তাদের পিএইচডি ইনক্রিমেন্ট বন্ধ করে দিয়ে গবেষণার আগ্রহ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের বিভিন্ন মহলে আলোচনা করছি।' 

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষণায় অধিকতর গুরুত্ব আরোপ করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'আমি বিশ্বাস করি শুধুমাত্র বই পড়ে একজন শিক্ষক কখনো ভালোভাবে শিক্ষা প্রদান করতে পারেন না। এজন্য প্রয়োজন বাস্তব গবেষণার অভিজ্ঞতা। আমাদের দেশে গবেষণার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। কিন্তু এই অল্প অর্থ দিয়েই আমাদের ভালো মানের গবেষণা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে।'

দেশে গবেষণার পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টির জন্য ইউজিসি কর্তৃক সেন্ট্রাল রিসার্চ কাউন্সিল ও সেন্ট্রাল ল্যাব তৈরি করা হবে বলে জানান ড. দিল আফরোজা বেগম। 

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে শেকৃবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশিদ ভূঁইয়া বলেন, 'এ দেশে পিএইচডি এর কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা নেই। গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ কিংবা ল্যাব সুবিধাও নেই। তবুও এই স্বল্প অর্থ দিয়েই কৃষিবিদরা জাতির প্রয়োজনে নতুন জাত এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে অল্প অর্থ দিয়ে কখনো ভালো মানের গবেষণা করা যায় না। গবেষকদের সঠিক মূল্যায়ন না করা হলে দেশে প্রকৃত গবেষণা সম্ভব নয়।'

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, শেকৃবি কোষাধ্যক্ষ  অধ্যাপক  ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং সাউরেসের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

ইত্তেফাক/এসটিএম