বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ৯ ফাল্গুন ১৪৩০
দৈনিক ইত্তেফাক

রামোন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করলেন করভি রাকসান্দ

আপডেট : ১২ নভেম্বর ২০২৩, ১২:১৬

সম্প্রতি এশিয়ার নোবেলখ্যাত রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন জাগো ফাউন্ডেশন-এর প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দ। ইমার্জেন্ট লিডারশিপ ক্যাটাগরিতে সামাজিক এবং স্থিতিশীল উন্নয়নে তাঁর অবদানের জন্য রাকসান্দকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১১ নভেম্বর) ম্যানিলায় মেট্রোপলিটন থিয়েটারে বিজয়ীদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। এ বছর বিভিন্ন বিভাগে মোট চারজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। বাকি বিজয়ীরা হলেন ভারতের রবি কান্নান আর., ফিলিপাইনের মিরিয়াম করোনেল-ফেরার, ও পূর্ব তিমুরের ইগুয়েনিও লেমোস। এর আগে ৩১ আগস্ট পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।

রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন জাগো ফাউন্ডেশন-এর প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দ

সামাজিক এবং স্থিতিশীল উন্নয়নে অবদানের জন্য পুরস্কার পেয়েছেন রাকসান্দ। তার হাতে পুরস্কার তুলে দেন রামোন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন-এর চেয়ারম্যান তৃতীয় অরেলিও আর. মন্টিনোলা এবং সিনেটর রামোন বি. ম্যাগসেসে, জুনিয়র।

জাগো ফাউন্ডেশনের দূরদর্শী নেতৃত্বে সামাজিক পরিবর্তনে উদ্যোগী ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার পেলেন এটির প্রতিষ্ঠাতা। অলাভজনক এ সংস্থাটি স্কুল শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং সুবিধাবঞ্চিতদের সাহায্য প্রদানের লক্ষ্যে সর্বাত্মকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন জাগো ফাউন্ডেশন-এর প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দ

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট রামোন ম্যাগসেসের স্মরণে ১৯৫৭ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কার। এটিকে এশিয়ার নোবেল পুরস্কার বলা হয়। এ পুরস্কারটি সারা এশিয়া মহাদেশে সমাজের জন্য উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হয়। এই পর্যন্ত মোট ৩৪৪ জন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তারা সবাই নিঃস্বার্থভাবে, সততা ও সাহসের সাথে মানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। সেই কাতারে এবার যোগ দিলেন বাংলাদেশ থেকে রাকসান্দ।

উল্লেখ্য, জাগো ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক সংস্থা যা শিক্ষা, যুব উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, সুশ্বাসন এবং দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তি এবং সম্প্রদায়কে ক্ষমতায়ন করে।

ইত্তেফাক/এএম